সেমিনারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা

অব্যবহৃত সরকারি জমিতে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

দেশে অব্যবহৃত যথেষ্ট সরকারি জমি রয়েছে। রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথসহ যেসব অব্যবহৃত খাসজমি রয়েছে সেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব বলে

দেশে অব্যবহৃত যথেষ্ট সরকারি জমি রয়েছে। রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথসহ যেসব অব্যবহৃত খাসজমি রয়েছে সেগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ-জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই) আয়োজিত ‘রিনিউয়েবল এনার্জি, ডিকার্বনাইজেশন, অ্যান্ড এনার্জি ট্রান্সমিশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জ্বালানি উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিপুল বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে শিগগির ৪০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হবে।’ স্থানীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি রূপান্তরে অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত আসিম টোস্টার বাংলাদেশ জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের সুযোগের ওপর গুরুত্ব দেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘জার্মান বাংলাদেশকে কম কার্বন নির্গমন ভবিষ্যতের দিকে যেতে সমর্থন দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিনিয়োগে সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বাড়ানোর এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন এবং বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের (বিপিএমআই) রেক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।

আরও